বিক্ষিপ্ত

আমার যেই বন্ধুটার কবি হওয়ার কথা ছিলো, আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে জানতো, সবচেয়ে বেশি যে পড়তো, সে এই মুহুর্তে একটা ফেব্রিক মিলে নাইট শিফটে ডিউটি করছে।

আমার অবাক লাগে, এই মধ্যরাতে বড় বড় অফিসার যারা আমার সেই বন্ধুটির কাজ তদারক করছেন তারা কেউ হয়তো কোনদিন জানবেনও না যে তাদের সর্বোচ্চ উচ্চপদস্থ কর্তাটিরও তার সম্মুখে নতুজানু হয়ে কথা বলার কথা। আমার সেই বন্ধুটিকে দিয়ে সম্ভবত সেখানে সবচেয়ে অপ্রসঙ্গিক, সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় কাজটি করানো হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর ছবি আলা নোটগুলো দেখলে সমীহ জাগে।  কি ভয়াবহ তার ক্ষমতা!!

আমি আকুল হয়ে বসে আছি।  একটা, অন্তত একটা দিনের জন্য পৃথিবীতে সাম্যবাদ আসুক। জীবনে অন্তত একটা দিন মোহমুক্ত হয়ে চিন্তা করার স্বাদ পাই।

প্রভু, আখের রসে আরেকটুকু মিষ্টি দাও।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাক্ষসী। পর্ব-১

শেষ গানটির মত

প্রেতে ও মানুষে। পর্ব-৪(শেষ পর্ব)