স্বর্গাগমনী

প্রিয়ো,
শোন!
দিগন্তের এক প্রান্তে বসে,
প্রভাতে অরুনের কাছে প্রশ্ন ছুড়েছি?
              হে অরুন!
নিশির মেঘ বৃষ্টির অভিসার শেষে,
উদয়ের এ মিষ্টরূপ কি তোমার জেগে উঠার
               উপমেয়?
          অরুন অবাক হলো,
আর কেমন যেন হেসে বললো,
              আরে পাগল,
       আমার মিষ্টরূপ তার পদে...
প্রভাতে তার হাসিতে আমার মত কত রূপ লাজে মরে।

আমি গেলাম পাখির সমাবেশে,
           তাদের বললাম,
এ প্রভাতে গেয়ে যাও কোন সূরে-
এ সূর কি তোমার হাসির
                কলতান?
পাখি সমাবেশেও হাস্যরোল,
             তারা বললো,
          আমি নাকি পাগল।
        তারা এককণ্ঠে বললো,
আরে তোমার হাসির কলতান তো দূরে থাক,
তোমার হাসির মৃদ্যু ধ্বনিতে তাদের এ সূর হারতে রাজি।
                  আমি ধন্য।

এবার গেলাম ফুল বাগানে।
     গোলাপ, গন্ধরক, বেলী, মালতী
        আমায় দেখে উৎসুখ তারা।
            তাদের সবার এক দাবি,
তোমার সুভাষে কোন ফুল আমি যেন বলি...।
                  পড়লাম বিপদে,
আমি নিজেই তো খুঁজে হন্য এ সুভাষের তুলনা।

আমি তাদের বললাম,
দ্যাখ,
          এ সুভাষ নয় কোনো পুষ্পে,
                   নয় তা কস্তুরী...
        এঅপরূপ, এ সুভাষ স্বর্গাগমনী...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাক্ষসী। পর্ব-১

শেষ গানটির মত

প্রেতে ও মানুষে। পর্ব-৪(শেষ পর্ব)